ঢাকা ০৬:৫৩ এএম, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেখ হাসিনার ১০ বছরের কারাদণ্ড; টিউলিপের ৪ বছর সোনারগাঁ : বাংলাদেশের হারানো প্রাসাদগুলো উদ্ধার করা হচ্ছে নারায়ণগঞ্জে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন নারায়ণগঞ্জ ৩-আসনে বিএনপি প্রার্থী মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মানব বন্ধন নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র আইভী আরও ৫ মামলায় গ্রেপ্তার শেখ হাসিনার বিচারের রায় : নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হতে কুতুবপুর ইউনিয়নে গণস্বাক্ষর কর্মসূচী এক দশক পর বিটিভির পর্দায় যাদু দেখাতে আসছেন সাংবাদিক সোহাগ খান ঢাকায় শুরু হচ্ছে নারী বিশ্বকাপ কাবাডি’র ২য় আসর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মাসুদুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাট্টা বিএনপি’র মনোনয়ন বঞ্চিতরা

নিষেধাজ্ঞায় নেই ইলিশ, বাড়তি দেশি মাছের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নারায়ণগঞ্জ-
  • প্রকাশকাল ০৯:১১:৩৬ পিএম, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১২৮ পাঠক

প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরায় বিধিনিষেধ থাকায় নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোতে নেই ইলিশ মাছ। এতে বেড়েছে দেশীয় অন্য মাছের চাহিদা। ফলে বেড়েছে ওইসব মাছের দাম। ক্রেতারা বলছেন, মাছের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই, ট্যাংরা, পাঙাশ, চিংড়ির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে এসব মাছ।

ইলিশ না থাকায়, রুই ও কাতলা মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায়, পাবদা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়, পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়, দেশী পুটি ও নদীর পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, গলদা চিংড়ি ৭০০থেকে ৭৫০ টাকায়, ট্যাংরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, শিং ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায় ও ছোট আকারের তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।

মাছ ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা বলেন, ইলিশ ধরা বন্ধ থাকায় বাজারে মাছের সরবরাহ কমে গেছে। কারণ এখন জেলেরা নদীতে জাল ফেলতে পারছে না। সরবারহ কম থাকায় মাছের দাম কিছুটা বাড়ছে।

বন্দর উপজেলা থেকে মাছ ক্রয় করতে আশা মোশাররফ হোসেন মাসুদ বলেন, প্রতি মাসের শেষে সময় এখান থেকে মাছ ক্রয় করি। এতে মহল্লার বাজারের থেকে কিছু টাকা সাশ্রয় হয়। কিন্তু মাছের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে, পাঙাশ ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, সেই মাছ আজকে ১৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হলো।

আরেক ক্রেতা হাফসা আক্তার জানান, বাজারে মাছের দাম আগের থেকেই বাড়তি। বাজারে ঢুকতেই ভয় লাগে।

বিক্রেতা গণেশ চন্দ্র দে বলেন, সাগর বা নদীর মাছ না আসলে আমাদের ব্যবসা চলে না। এখন মাছের সরবরাহ কম। ব্যবসা খুব খারাপ অবস্থায় আছে।

সংবাদটিশেয়ার করুন

নিষেধাজ্ঞায় নেই ইলিশ, বাড়তি দেশি মাছের দাম

প্রকাশকাল ০৯:১১:৩৬ পিএম, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরায় বিধিনিষেধ থাকায় নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোতে নেই ইলিশ মাছ। এতে বেড়েছে দেশীয় অন্য মাছের চাহিদা। ফলে বেড়েছে ওইসব মাছের দাম। ক্রেতারা বলছেন, মাছের সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই, ট্যাংরা, পাঙাশ, চিংড়ির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে এসব মাছ।

ইলিশ না থাকায়, রুই ও কাতলা মাছ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায়, পাবদা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়, পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায়, দেশী পুটি ও নদীর পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, গলদা চিংড়ি ৭০০থেকে ৭৫০ টাকায়, ট্যাংরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, শিং ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায় ও ছোট আকারের তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।

মাছ ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা বলেন, ইলিশ ধরা বন্ধ থাকায় বাজারে মাছের সরবরাহ কমে গেছে। কারণ এখন জেলেরা নদীতে জাল ফেলতে পারছে না। সরবারহ কম থাকায় মাছের দাম কিছুটা বাড়ছে।

বন্দর উপজেলা থেকে মাছ ক্রয় করতে আশা মোশাররফ হোসেন মাসুদ বলেন, প্রতি মাসের শেষে সময় এখান থেকে মাছ ক্রয় করি। এতে মহল্লার বাজারের থেকে কিছু টাকা সাশ্রয় হয়। কিন্তু মাছের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে, পাঙাশ ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, সেই মাছ আজকে ১৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হলো।

আরেক ক্রেতা হাফসা আক্তার জানান, বাজারে মাছের দাম আগের থেকেই বাড়তি। বাজারে ঢুকতেই ভয় লাগে।

বিক্রেতা গণেশ চন্দ্র দে বলেন, সাগর বা নদীর মাছ না আসলে আমাদের ব্যবসা চলে না। এখন মাছের সরবরাহ কম। ব্যবসা খুব খারাপ অবস্থায় আছে।